ভারতীয় হওয়ার পরও সত্যিই আমাদের তাড়িয়ে দেয়া হবে?': বিজেপি নেতার ঘোষণায় আসাম জুড়ে বিভ্রান্তি, শংকা | BDnews24 (বাংলাদেশের সাম্প্রতিক খবরাখবর)

Ads (728x90)

Pages

Followers

Multimedia Updates

Featured

Powered by Blogger.

Facebook

Random Posts

Recent Posts

Follow Us on Facebook

5/বিষয়সমূহ/slider-tag

Recent Comments

Ads

Advertise Banner

hide

Social Buttons

Video

About Templatezy

Popular Posts

Popular Posts

ইসলামি বিশ্বকোষ September 13, 2018 A+ A- Print Email

BBC NEWS | বাংলা

বিজেপি এবং আরএসএস আসাম থেকে মুসলিমদের বিতাড়নের পরিকল্পনা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।ছবির কপিরাইটGETTY IMAGES
Image captionবিজেপি এবং আরএসএস আসাম থেকে মুসলিমদের বিতাড়নের পরিকল্পনা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি-র অন্যতম নীতিনির্ধারক নেতা রাম মাধব আসামের জাতীয় নাগরিক তালিকা নিয়ে সম্প্রতি যে ঘোষণা দেন, তা নিয়ে আসামের বহু মানুষের মনে নতুন করে আশঙ্কা তৈরী হয়েছে।
নাগরিক তালিকা চূড়ান্ত করার পর যাদের নাম বাদ যাবে, তাদের দেশ থেকে বিতাড়ন করা হবে বলে রাম মাধব ঘোষণা করেন।
নাগরিক তালিকার চূড়ান্ত খসড়া তালিকা থেকে যে ৪০ লক্ষ মানুষের নাম বাদ গেছে, তারা এই ঘোষণার পরে একদিকে যেমন বিতাড়িত হওয়ার ভয় পাচ্ছেন, অন্যদিকে মনে করছেন নতুন করে তাঁদের ওপরে অত্যাচার না শুরু হয়!
রাম মাধব তার বক্তৃতায় তিনটি ডি-র ভিত্তিতে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কথা বলেছেন - ডিটেক্টশন, ডিলিশান এবং ডিপোর্টেশন। এখন নাগরিক তালিকা নবায়নের যে প্রক্রিয়া চলছে, তাকে তিনি ডিটেক্টশনের পর্যায়ে ফেলছেন। অর্থাৎ প্রক্রিয়া শেষ হলে ওই তালিকায় নাম না থাকা ব্যক্তিদের তাড়িয়ে দেওয়া হবে।
তাঁর এই ঘোষণা নিয়ে একদিকে যেমন তৈরী হয়েছে নতুন করে আশঙ্কা, অন্যদিকে তৈরী হয়েছে বিভ্রান্তি।
"কাগজে রাম মাধবের ওই বক্তব্যের কথা পড়ে তো আমি সত্যিই কনফিউজড, '' বলছিলেন নাগরিক তালিকার চূড়ান্ত খসড়া থেকে বাদ পড়া শিলচরের বাসিন্দা পাপড়ি ভট্টাচার্য।।
''কদিন আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছেন যে কাউকে আসাম থেকে বাংলাদেশে তাড়িয়ে দেওয়া হবে না। এখন আবার রাম মাধবের মতো বড়ো নেতা বলছেন সবাইকে তাড়ানো হবে। তাঁর মতো নেতা তো নিশ্চই দলের শীর্ষনেতাদের সঙ্গে কথা বলেই এই ঘোষণা করেছেন,'' তিনি বলেন।
রাম মাধবছবির কপিরাইটGETTY IMAGES
Image captionঘোষণাটি দিয়েছিলেন বিজেপি নেতা রাম মাধব
"তাহলে কি ভারতীয় হওয়া স্বত্ত্বেও, ভারতের পাসপোর্ট হোল্ডার আর সরকারী চাকুরে হওয়া স্বত্ত্বেও সত্যিই আমাদের তাড়িয়ে দেওয়া হবে? আর সেটা না করা হলেও ডিটেইন করে রাখাও তো হতে পারে! সত্যিই আতঙ্কিত আমি," বলছিলেন মিসেস ভট্টাচার্য।
একটা সময়ে আসামের বাংলাভাষী হিন্দু-মুসলমান মনে করতেন যে নাগরিক তালিকা নবায়ন হওয়ার পরে তাঁদের দিকে যেভাবে মাতৃভাষার কারণে অবৈধ বাংলাদেশী বলে আঙ্গুল তোলা হত, সেটা বন্ধ হবে।
কিন্তু নাগরিক তালিকা বা এনআরসি প্রক্রিয়া যখন প্রায় শেষের দিকে, ততই অনেকের মনে সন্দেহ দানা বাঁধতে শুরু করেছে যে এটা আসলে বাংলাভাষী মানুষের ওপরে দীর্ঘমেয়াদে অত্যাচার নামিয়ে আনার একটা প্রক্রিয়া নয় তো?
"এনআরসি-র প্রক্রিয়াটাকে এতদিন ধরে যেভাবে একটা ন্যায়সঙ্গত প্রক্রিয়া বলে আমাদের বোঝানো হয়েছে, এখন তো দেখা যাচ্ছে কাজটা তো সেভাবে হচ্ছে না,'' বলছিলেন শাহজাহান আলি আহমেদ।
''সুপ্রীম কোর্ট বলছে তারা গোটা প্রক্রিয়ার ওপরে নজরদারি চালাচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে তো কোনও নজরদারি দেখতে পাচ্ছি না। শুধুমাত্র এনআরসি-র ভারপ্রাপ্ত একজন অফিসারের ওপরেই আদালত ভরসা করছেন।''
''এটা আসামের সত্যিকারের ভারতীয় নাগরিক যেসব বাংলাভাষী মানুষ, তাদের ওপরে অত্যাচার চালানোর একটা পূর্বপরিকল্পিত প্রক্রিয়া নয় তো," মিঃ আহমেদ প্রশ্ন তোলেন।

আরও পড়ুন:

৩০ জুলাই নাগরিক তালিকার যে চূড়ান্ত খসড়া তালিকা প্রকাশিত হয়েছিল, সেখানে নাম নেই বাকসা জেলার আইখারি গ্রামের বাসিন্দা শাহজাহান আলি আহমেদ সহ তাঁর পরিবারের ৭ জন সদস্যের।
নাগরিকত্ব তালিকার বিরুদ্ধে আসামে বিরোধী দল কংগ্রেসের বিক্ষোভছবির কপিরাইটGETTY IMAGES
Image captionনাগরিকত্ব তালিকার বিরুদ্ধে আসামে বিরোধী দল কংগ্রেসের বিক্ষোভ
ব্রহ্মপুত্র উপত্যকার বাসিন্দা, ছাত্র নেতা ইব্রাহিম আলিরও নাম ওঠে নি নাগরিক তালিকার চূড়ান্ত খসড়ায়। তা নিয়ে চিন্তায় ছিলেনই। কিন্তু বিজেপি-র শীর্ষ নেতা রাম মাধবের ঘোষণার পরে কী ভাবছেন তিনি, সেটা জানতে চেয়েছিলাম।
মি. ইব্রাহিম আলির কথায়, "আমাদের মতো আসামের আদি বাসিন্দাদের যদি এনআরসি থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়, তা হলে শুদ্ধ নাগরিক তালিকা তৈরী কোনও ভাবেই সম্ভব নয়। ঘটনাক্রম দেখে তো সন্দেহ হচ্ছে যে ২০১৯ সালে ভোটের আগে বিজেপি রাজনৈতিক মুনাফার জন্য কোনও পরিকল্পনা করছে কী না এই ব্যাপারটা নিয়ে।"
অবৈধ বাংলাদেশীদের দেশ থেকে বিতাড়নের দাবী আসামের উগ্র জাতীয়তাবাদী সংগঠনগুলি সেই আশির দশক থেকেই করে আসছে। তাদের দাবী মতোই নাগরিক তালিকা নবায়ন করা হচ্ছে সে রাজ্যে ১৯৫১ সালের পর এই প্রথমবার। তারা চায় হিন্দু মুসলমান নির্বিশেষে নাগরিক তালিকা থেকে বাদ পড়া মানুষদের তাড়ানো হোক।
কিন্তু বিজেপি এতদিন বলে এসেছে প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলি থেকে সেই সব দেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা সেখানে ধর্মীয় নিপীড়নের কারণে দেশ ছেড়ে ভারতে এসেছেন, তাদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।
আসামের ক্ষেত্রে যার অর্থ বাংলাদেশ থেকে নির্যাতনের শিকার হয়ে ভারতে এসেছেন, এমন হিন্দুদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।
নাগরিকত্ব ইস্যু উত্তাল করে তুলেছে আসামের রাজনীতিছবির কপিরাইটGETTY IMAGES
Image captionনাগরিকত্ব ইস্যু উত্তাল করে তুলেছে আসামের রাজনীতি
কিন্তু মি. রাম মাধব নাগরিক তালিকা থেকে বাদ পড়া সবাইকেই বিতারণের কথা বলছেন - হিন্দু মুসলমান কোনও ভেদ করেন নি।
শিলচরের দৈনিক যুগশঙ্খ পত্রিকার সম্পাদক অরিজিত আদিত্য এই প্রসঙ্গে বলছিলেন, "এনআরসি প্রক্রিয়াটা কোনও কালেই হিন্দু-মুসলমান ভেদাভেদের প্রক্রিয়া ছিল না। এটা আদতে ছিল অসমীয়া মূলবাসী এবং তথাকথিত অবৈধ অভিবাসী, অর্থাৎ অবৈধ বাংলাদেশী চিহ্নিতকরনের প্রক্রিয়া। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা হয় আসামের গ্রাউন্ড রিয়েলিটিটা বোঝেন না অথবা জেনে বুঝেই মানুষকে মিসগাইড করছেন! ২০১৯ এর আগে এনআরসি প্রক্রিয়াটার এমন একটা বিজ্ঞাপন তারা সারা দেশে করতে চাইছেন, যেন মুসলমান অনুপ্রবেশকারী বাছাই করার একটা প্রক্রিয়া এটা। আদৌ তো তা নয়।"
যদিও বিজেপি নেতারা বলছেন যে নাগরিক তালিকা থেকে বাদ পড়া মানুষদের বিতাড়ন করা হবে, কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে, কোথায় তাড়ানো হবে তাদের? কোন দেশই বা তাদের গ্রহণ করবে? আর কোনও দেশ যদি গ্রহণ না করে, নাগরিক তালিকার বাইরে থাকা মানুষরা যাবেন কোথায়?
বিশ্লেষকদের প্রশ্ন -- তাঁদের কী তাহলে রাষ্ট্রহীন মানুষ করে দেওয়া হবে?
না কি সবটাই করা হচ্ছে আগামী বছরের লোকসভা ভোটের দিকে তাকিয়ে?

MKRdezign

Technology

Technology

Breaking News

[blogger]

Populars

Formulir Kontak

Name

Email *

Message *

BBC NEWS | বাংলা

বিজেপি এবং আরএসএস আসাম থেকে মুসলিমদের বিতাড়নের পরিকল্পনা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।ছবির কপিরাইটGETTY IMAGES
Image captionবিজেপি এবং আরএসএস আসাম থেকে মুসলিমদের বিতাড়নের পরিকল্পনা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি-র অন্যতম নীতিনির্ধারক নেতা রাম মাধব আসামের জাতীয় নাগরিক তালিকা নিয়ে সম্প্রতি যে ঘোষণা দেন, তা নিয়ে আসামের বহু মানুষের মনে নতুন করে আশঙ্কা তৈরী হয়েছে।
নাগরিক তালিকা চূড়ান্ত করার পর যাদের নাম বাদ যাবে, তাদের দেশ থেকে বিতাড়ন করা হবে বলে রাম মাধব ঘোষণা করেন।
নাগরিক তালিকার চূড়ান্ত খসড়া তালিকা থেকে যে ৪০ লক্ষ মানুষের নাম বাদ গেছে, তারা এই ঘোষণার পরে একদিকে যেমন বিতাড়িত হওয়ার ভয় পাচ্ছেন, অন্যদিকে মনে করছেন নতুন করে তাঁদের ওপরে অত্যাচার না শুরু হয়!
রাম মাধব তার বক্তৃতায় তিনটি ডি-র ভিত্তিতে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কথা বলেছেন - ডিটেক্টশন, ডিলিশান এবং ডিপোর্টেশন। এখন নাগরিক তালিকা নবায়নের যে প্রক্রিয়া চলছে, তাকে তিনি ডিটেক্টশনের পর্যায়ে ফেলছেন। অর্থাৎ প্রক্রিয়া শেষ হলে ওই তালিকায় নাম না থাকা ব্যক্তিদের তাড়িয়ে দেওয়া হবে।
তাঁর এই ঘোষণা নিয়ে একদিকে যেমন তৈরী হয়েছে নতুন করে আশঙ্কা, অন্যদিকে তৈরী হয়েছে বিভ্রান্তি।
"কাগজে রাম মাধবের ওই বক্তব্যের কথা পড়ে তো আমি সত্যিই কনফিউজড, '' বলছিলেন নাগরিক তালিকার চূড়ান্ত খসড়া থেকে বাদ পড়া শিলচরের বাসিন্দা পাপড়ি ভট্টাচার্য।।
''কদিন আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছেন যে কাউকে আসাম থেকে বাংলাদেশে তাড়িয়ে দেওয়া হবে না। এখন আবার রাম মাধবের মতো বড়ো নেতা বলছেন সবাইকে তাড়ানো হবে। তাঁর মতো নেতা তো নিশ্চই দলের শীর্ষনেতাদের সঙ্গে কথা বলেই এই ঘোষণা করেছেন,'' তিনি বলেন।
রাম মাধবছবির কপিরাইটGETTY IMAGES
Image captionঘোষণাটি দিয়েছিলেন বিজেপি নেতা রাম মাধব
"তাহলে কি ভারতীয় হওয়া স্বত্ত্বেও, ভারতের পাসপোর্ট হোল্ডার আর সরকারী চাকুরে হওয়া স্বত্ত্বেও সত্যিই আমাদের তাড়িয়ে দেওয়া হবে? আর সেটা না করা হলেও ডিটেইন করে রাখাও তো হতে পারে! সত্যিই আতঙ্কিত আমি," বলছিলেন মিসেস ভট্টাচার্য।
একটা সময়ে আসামের বাংলাভাষী হিন্দু-মুসলমান মনে করতেন যে নাগরিক তালিকা নবায়ন হওয়ার পরে তাঁদের দিকে যেভাবে মাতৃভাষার কারণে অবৈধ বাংলাদেশী বলে আঙ্গুল তোলা হত, সেটা বন্ধ হবে।
কিন্তু নাগরিক তালিকা বা এনআরসি প্রক্রিয়া যখন প্রায় শেষের দিকে, ততই অনেকের মনে সন্দেহ দানা বাঁধতে শুরু করেছে যে এটা আসলে বাংলাভাষী মানুষের ওপরে দীর্ঘমেয়াদে অত্যাচার নামিয়ে আনার একটা প্রক্রিয়া নয় তো?
"এনআরসি-র প্রক্রিয়াটাকে এতদিন ধরে যেভাবে একটা ন্যায়সঙ্গত প্রক্রিয়া বলে আমাদের বোঝানো হয়েছে, এখন তো দেখা যাচ্ছে কাজটা তো সেভাবে হচ্ছে না,'' বলছিলেন শাহজাহান আলি আহমেদ।
''সুপ্রীম কোর্ট বলছে তারা গোটা প্রক্রিয়ার ওপরে নজরদারি চালাচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে তো কোনও নজরদারি দেখতে পাচ্ছি না। শুধুমাত্র এনআরসি-র ভারপ্রাপ্ত একজন অফিসারের ওপরেই আদালত ভরসা করছেন।''
''এটা আসামের সত্যিকারের ভারতীয় নাগরিক যেসব বাংলাভাষী মানুষ, তাদের ওপরে অত্যাচার চালানোর একটা পূর্বপরিকল্পিত প্রক্রিয়া নয় তো," মিঃ আহমেদ প্রশ্ন তোলেন।

আরও পড়ুন:

৩০ জুলাই নাগরিক তালিকার যে চূড়ান্ত খসড়া তালিকা প্রকাশিত হয়েছিল, সেখানে নাম নেই বাকসা জেলার আইখারি গ্রামের বাসিন্দা শাহজাহান আলি আহমেদ সহ তাঁর পরিবারের ৭ জন সদস্যের।
নাগরিকত্ব তালিকার বিরুদ্ধে আসামে বিরোধী দল কংগ্রেসের বিক্ষোভছবির কপিরাইটGETTY IMAGES
Image captionনাগরিকত্ব তালিকার বিরুদ্ধে আসামে বিরোধী দল কংগ্রেসের বিক্ষোভ
ব্রহ্মপুত্র উপত্যকার বাসিন্দা, ছাত্র নেতা ইব্রাহিম আলিরও নাম ওঠে নি নাগরিক তালিকার চূড়ান্ত খসড়ায়। তা নিয়ে চিন্তায় ছিলেনই। কিন্তু বিজেপি-র শীর্ষ নেতা রাম মাধবের ঘোষণার পরে কী ভাবছেন তিনি, সেটা জানতে চেয়েছিলাম।
মি. ইব্রাহিম আলির কথায়, "আমাদের মতো আসামের আদি বাসিন্দাদের যদি এনআরসি থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়, তা হলে শুদ্ধ নাগরিক তালিকা তৈরী কোনও ভাবেই সম্ভব নয়। ঘটনাক্রম দেখে তো সন্দেহ হচ্ছে যে ২০১৯ সালে ভোটের আগে বিজেপি রাজনৈতিক মুনাফার জন্য কোনও পরিকল্পনা করছে কী না এই ব্যাপারটা নিয়ে।"
অবৈধ বাংলাদেশীদের দেশ থেকে বিতাড়নের দাবী আসামের উগ্র জাতীয়তাবাদী সংগঠনগুলি সেই আশির দশক থেকেই করে আসছে। তাদের দাবী মতোই নাগরিক তালিকা নবায়ন করা হচ্ছে সে রাজ্যে ১৯৫১ সালের পর এই প্রথমবার। তারা চায় হিন্দু মুসলমান নির্বিশেষে নাগরিক তালিকা থেকে বাদ পড়া মানুষদের তাড়ানো হোক।
কিন্তু বিজেপি এতদিন বলে এসেছে প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলি থেকে সেই সব দেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা সেখানে ধর্মীয় নিপীড়নের কারণে দেশ ছেড়ে ভারতে এসেছেন, তাদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।
আসামের ক্ষেত্রে যার অর্থ বাংলাদেশ থেকে নির্যাতনের শিকার হয়ে ভারতে এসেছেন, এমন হিন্দুদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।
নাগরিকত্ব ইস্যু উত্তাল করে তুলেছে আসামের রাজনীতিছবির কপিরাইটGETTY IMAGES
Image captionনাগরিকত্ব ইস্যু উত্তাল করে তুলেছে আসামের রাজনীতি
কিন্তু মি. রাম মাধব নাগরিক তালিকা থেকে বাদ পড়া সবাইকেই বিতারণের কথা বলছেন - হিন্দু মুসলমান কোনও ভেদ করেন নি।
শিলচরের দৈনিক যুগশঙ্খ পত্রিকার সম্পাদক অরিজিত আদিত্য এই প্রসঙ্গে বলছিলেন, "এনআরসি প্রক্রিয়াটা কোনও কালেই হিন্দু-মুসলমান ভেদাভেদের প্রক্রিয়া ছিল না। এটা আদতে ছিল অসমীয়া মূলবাসী এবং তথাকথিত অবৈধ অভিবাসী, অর্থাৎ অবৈধ বাংলাদেশী চিহ্নিতকরনের প্রক্রিয়া। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা হয় আসামের গ্রাউন্ড রিয়েলিটিটা বোঝেন না অথবা জেনে বুঝেই মানুষকে মিসগাইড করছেন! ২০১৯ এর আগে এনআরসি প্রক্রিয়াটার এমন একটা বিজ্ঞাপন তারা সারা দেশে করতে চাইছেন, যেন মুসলমান অনুপ্রবেশকারী বাছাই করার একটা প্রক্রিয়া এটা। আদৌ তো তা নয়।"
যদিও বিজেপি নেতারা বলছেন যে নাগরিক তালিকা থেকে বাদ পড়া মানুষদের বিতাড়ন করা হবে, কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে, কোথায় তাড়ানো হবে তাদের? কোন দেশই বা তাদের গ্রহণ করবে? আর কোনও দেশ যদি গ্রহণ না করে, নাগরিক তালিকার বাইরে থাকা মানুষরা যাবেন কোথায়?
বিশ্লেষকদের প্রশ্ন -- তাঁদের কী তাহলে রাষ্ট্রহীন মানুষ করে দেওয়া হবে?
না কি সবটাই করা হচ্ছে আগামী বছরের লোকসভা ভোটের দিকে তাকিয়ে?

আল-আসমাউল হুসনা (আল্লাহর ৯৯ নাম)


📚কোন POST Pdf করতে এখানে ক্লিক করুন।

Print Friendly and PDF

আল-আসমাউল হুসনা (আল্লাহর ৯৯ নাম)


সকল পোস্ট

এখানে SEARCH করুন

আক্বিদা

5/আক্বিদা/small-col-right

শানে রেসালত

5/শানে রেসালত/recent-videos

Facebook

সৃষ্টিতত্ত্ব ও নুরতত্ত্ব

5/সৃষ্টিতত্ত্ব ও নুরতত্ত্ব/recent-videos

শানে আল্লাহ্ (ﷻ)

5/আল্লাহ সম্পর্কে/small-col-left

শানে মোস্তফা (ﷺ)

5/শানে মোস্তফা (ﷺ)/small-col-right

এই ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম।

Translate

LIVE

📖 Translate Any Post

Author Name